কলকাতা :- অবশেষে, মিমি চক্রবর্তীর দায়ের হওয়া সব মামলায় জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী, যিনি হেনস্তার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ১৪ দিন ধরে আটক থাকার পর, বনগাঁ মহকুমা আদালতে জামিন পেলেন তিনি। আইনজীবী দীপাঞ্জন দত্ত জানিয়েছেন, “মিমির অভিযোগের মামলায় আগে তনয় জামিন পেয়ে ছিলেন। বুধবার, পুলিশের একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় বিচারক তাঁকে জামিন দেন।” গ্রেপ্তারির পর, তনয় বনগাঁ সংশোধনাগারে ছিলেন এবং এ দিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলেন। ফিরে এসে তিনি বললেন, “আইনের উপর আস্থা ছিল। দৃঢ়তা নিয়ে এসেছিলাম, দৃঢ়তা নিয়েই ফিরলাম। সবাই ভালো থাকবেন।”
ঘটনাটি আসে গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের বার্ষিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টেয় তাঁর অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে তিনি এক ঘণ্টা দেরি করে পৌঁছান। মঞ্চে ওঠার সময়ে রাতে পৌনে ১২টা বেজে যায়, এবং অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত, এ কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ করেন মিমিকে হেনস্থা করা হয়েছে। পরে, পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং বনগাঁ থানার পুলিশ তনয়কে ধরতে যায়। অভিযোগ করা হয় যে, এসময় পুলিশকে বাধা দেওয়া হয় এবং তনয়কে থানায় নিয়ে যেতে পুলিশকে প্রথমে বেশ কষ্ট করতে হয়।
তনয় শাস্ত্রী ও অপর দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশকে ‘হেনস্তা’ করা ও কাজে বাধা দেওয়া সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয়। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় ও অন্যদের জেল হেফাজতে রাখার আদেশ দেন। ওই শনিবার মেয়াদ শেষে তাঁদের আদালতে প্রেরণ করা হয় এবং অভিনেত্রী মিমির মামলায় তনয়ের জামিন মেলে। কিন্তু পুলিশের হেনস্তা মামলায় জামিন নাপায় তিনি। শেষ পর্যন্ত, বুধবার পুলিশের দায়ের করা মামলায় তনয়ের জামিন মঞ্জুর হয় এবং ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি জেল থেকে মুক্তি পান।
